Breaking

Wednesday, November 14, 2018

ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সুবিধা

ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সুবিধা
ইউরোপের যে দেশেগুলোয় টিউশন ফি ছাড়া উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা যায় তাদের একটি ফিনল্যান্ড। তাই এদেশে প্রতি বছর এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। তবে তাদের বেশিরভাগই স্নাতক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রোগ্রামে ভর্তি হন। এদেশে বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। এখানে অভিবাসীদের ছেলেমেয়েদের জন্য তাদের নিজেদের ভাষা শিক্ষার সুযোগও রয়েছে, যেটা যুক্তরাজ্যের মতো বহু বর্ণ ও সংস্কৃতির দেশেও অনুপস্থিত। ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ করে স্নাতক স্তরে ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয় একটি প্রতিষ্ঠান আছে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফলিত বিজ্ঞানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তির জন্য আবেদন করতে হয়। এ ওয়েবসাইটে এদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা তথ্য পাওয়া যাবে। তাছাড়া সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তির জন্য আরেকটি ওয়েব পোর্টাল আছে যার মাধ্যমে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনোটিতে ভর্তির জন্য আবেদন করা যায়। কিন্তু স্নাতকোত্তর বিষয়াবলির জন্য এককভাবে সম্পৃক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য আবেদন করার সুযোগ আছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে এ ওয়েবসাইট দুইটি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সংগ্রহ করে গুগল সার্চের মাধ্যমে (www.google.com) অনুসন্ধান করলে সহজে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবপেজ কিংবা অন্য কোনো সাইটে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তাছাড়া এ নিবন্ধের শেষের দিকে এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম ও তাদের ওয়েব অ্যাড্রেসগুলো দেয়া আছে। তা থেকে সরাসরি যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবসাইটে যেতে পারেন। শিক্ষার মাধ্যম আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রভাষা দুইটি ফিনিশ আর সুইডিশ। সেজন্য বিশেষ করে স্নাতক স্তরের পড়াশোনার জন্য বিদেশি শিক্ষার্থীদের ফিনিশ বা সুইডিশ ভাষার ওপর ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। তবে একজন বিদেশিকে অবশ্যই প্রাথমিক ভাষা দক্ষতা হিসেবে ইংরেজি জানতে হবে। উচ্চশিক্ষার কাঠামো ও স্তর বিন্যাস : উচ্চশিক্ষার জন্য ফিনল্যান্ডে ২৭টি ফলিত বিজ্ঞানের (Applied Sciences) এবং ১৬টি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ফিনল্যান্ডের উচ্চশিক্ষার কাঠামো দুইভাগে বিভক্ত। স্নাতক স্তর ও স্নাতকোত্তর স্তর। স্নাতকোত্তর আবার দুই স্তরে বিন্যাস্ত মাস্টার্স ও ডক্টোরাল। উচ্চশিক্ষার এ দুই স্তরে যেসব ডিগ্রি অর্জন করা যেতে পারে, সেগুলো হল ক) ব্যাচেলর ডিগ্রি, খ) মাস্টার্স ডিগ্রি ও গ) ডক্টরেট বা পিএইচডি ডিগ্রি। মাস্টার্স করতে দেড় থেকে দুই বছর লাগে আর ১২০ ক্রেডিট সম্পন্ন করা লাগে। কিন্তু যে কেউ চাইলে বেশি সময়ও নিতে পারেন। তবে চার বছরের মধ্যেই মাস্টার্স কোর্স শেষ করতে হবে। আর ডক্টরাল কোর্সের ক্ষেত্রে সাধারণ সময় লাগে তিন থেকে ছয় বছর। ফিনল্যান্ডে ডক্টরেট করতে হলেও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অবশ্যই থাকতে হবে। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই ডক্টরাল কোর্সে ভর্তি হতে হলে অবশ্যই IELTS স্কোর অথবা আর সমমানের ইংরেজি ভাষা কোর্সের সার্টিফিকেট থাকতে হবে। স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির জন্য সাধারণ সর্বনিম্ন আইইএলটিএস স্কোর ৬.৫ দরকার। এদেশেও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের মতোই দুই সেমিস্টারে পড়াশোনা পরিচালিত হয়। প্রথম সেমিস্টার হলো শরৎকালীন সেমিস্টার আগস্ট থেকে ডিসেম্বর। দ্বিতীয় সেমিস্টার হলো বসন্তকালীন সেমিস্টার জানুয়ারি থেকে জুলাই। যেসব বিষয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ রয়েছে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় স্নাতক পর্যায়ের দুই একটি প্রোগ্রাম ইংরেজি মাধ্যমে হলেও বেশিরভাগ কোর্সই ফিনিশ কিংবা সুইডিশ ভাষায় হওয়ায় এবং ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয় বলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ কিছুটা সীমিত। তবে কেউ যদি ফিনিশ কিংবা সুইডিশ ভাষায় পারদর্শী হয় তবে তার জন্য স্নাতক পর্যায়ে রয়েছে শিক্ষার অবারিত সুযোগ। স্নাতক স্তর এদেশের অধিকাংশ স্নাতক কোর্সই কর্মদক্ষতা তথা পলিটেকনিকভিত্তিক। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, এখানে স্নাতক স্তরে ভর্তি হওয়ার জন্য ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্রথমে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। আবেদনপত্র পূরণের সময় পছন্দের ক্রমানুসারে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নির্বাচন করা যায়। স্নাতক কোর্সে ভর্তির জন্য টোফেলে ৫৫০ স্কোর কিংবা আইইএলটিএসে কমপক্ষে ৬.০ স্কোরসহ এইচএসসি বা সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতার যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অনলাইনে আবেদন করার পর এসএসসি, এইচএসসির মার্কশিট, সার্টিফিকেট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যে বিশ্ববিদ্যালয়টি পছন্দের তালিকায় প্রথম থাকবে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি অফিসের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে হবে। তারপর ওই বিশ্ববিদ্যালয় আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময় জানিয়ে ইমেইল করবে কিংবা চিঠি পাঠাবে। ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ওপর ভিত্তি করে পছন্দের ক্রমানুসারে যে কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়। ভর্তি পরীক্ষা সাধারণত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে হয়ে থাকে। আর অনলাইন আবেদন করার শেষ সময় সাধারণত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ থাকে।
অনলাইনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের যোগ্যতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে হবে। এরপর ভর্তির জন্য বিবেচিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় চিঠি কিংবা মেইল দিয়ে জানাবে। এমনকি অফার লেটার পেলে প্রয়োজনে ১ বছরের জন্য ভর্তি ডেফার/পোস্টপন্ড করা যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্নাতকোত্তর স্তরে আবেদন করতে সাধারণত আবেদনপত্রের সঙ্গে একটি আগ্রহপত্র কিংবা অধ্যয়নের উদ্দেশ্যের বিবৃতি (Statement of Purpose); দুইটি প্রত্যায়নপত্র (Reference Letters) সাধারণত শিক্ষকদের কাছ থেকে; টোফেল/আইইএলটিএস স্কোর এবং বিষয় ভেদে কখনও কখনও জিআরই ফল। এছাড়া প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আবেদনের নির্ধারিত যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণ দেয়া থাকে। তাই আবেদনপত্র পাঠানোর সময় সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী হলেও স্নাতকোত্তর কোর্সে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফল প্রকাশ হওয়ার আগেই যদি আবেদনের তারিখ শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে কাগজপত্র পাঠানোর সময় নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি চিঠি নেয়া যেতে পারে যে, ফল খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশিত হবে। আর যেহেতু ট্রান্সক্রিপ্ট পাওয়ার সুযোগ নেই সেহেতু যতটুকু ফল প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর কপি সঙ্গে পাঠালেই চলবে।
যেসব বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে : শিল্পকলার ইতিহাস, সৃজনশীল লেখা, সামাজিক গবেষণা পদ্ধতি, বয়স্ক শিক্ষা ও জীবনব্যাপী শেখা, অর্থনীতি; অর্থনীতি, রাষ্ট্র ও সমাজ; গণতন্ত্র ও বৈশ্বিক পরিবর্তন উন্নয়ন অধ্যয়ন; গণমাধ্যম ও বিশ্ব যোগাযোগ; সংবাদমাধ্যম অধ্যয়ন, উত্তর আমেরিকা অধ্যয়ন, ইউরোপ অধ্যয়ন, ধর্ম, দ্বন্দ্ব ও সংলাপ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক আইন, আন্তর্জাতিক গণআইন, মেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড ক্যামেস্ট্রি, জনস্বাস্থ্য, প্যাথলজি, মহাকাশ গবেষণা, বায়োক্যামেস্ট্রি, খাদ্যবিজ্ঞান, খাদ্য রসায়ন, জীব-প্রযুক্তি, জৈব তথ্যপ্রযুক্তি, বাস্তুবিদ্যা, পরিবেশবিজ্ঞান, জীববৈচিত্র্য, জৈব রসায়ন ও রাসায়নিক বিশ্লেষণ, জৈব রসায়ন ও রাসায়নিক জীববিজ্ঞান, তড়িত তথ্যপ্রযুক্তি, ফলিত গণিত পরিসংখ্যান ইত্যাদি।
আবেদনপত্র জমা ও ভর্তি প্রক্রিয়া : ফিনল্যান্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হওয়ার জন্য সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে হবে। আবার কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি অনলাইনে আবেদন করতে হয়। তাছাড়া কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাকযোগে মুদ্রিত আবেদন ফরমও সংগ্রহ করা যেতে পারে। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ যথাসময়ে আবেদন করার পর অপেক্ষায় থাকতে হবে অফার লেটারের জন্য। তবে আবেদন করার পর থেকে ভিসা পাওয়া পর্যন্ত বছরখানেক সময় লেগে যেতে পারে। আবেদন করার আগে ভালোভাবে দেখে-বুঝে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে। কারণ কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার জন্য ফি পরিশোধ করতে হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত আবেদনপত্র কিংবা অনলাইন আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদপত্র, মার্কশিট, আইইএলটি স্কোরের প্রত্যয়নপত্র, পাসপোর্টের ফটোকপি, আর্থিক দায়দায়িত্বের চিঠি ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি। যেক্ষেত্রে আবেদনপত্রের ফি থাকবে, সেক্ষেত্রে তা পরিশোধের রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্র আহ্বান ও জমাদানের সময় : সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করে ডিসেম্বর এবং তা জমাদান করতে হয় ফেব্রুয়ারির মধ্য। তবে কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে তা মার্চ পর্যন্ত হয়ে থাকে। উচ্চশিক্ষার ব্যয় ও অর্থায়ন আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, এদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে টিউশন ফি দেয়া লাগে না। তবে কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত কিছু কোর্সে এখন ফি আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যেই আলতো বিশ্ববিদ্যালয় ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ থেকেই অনেক কোর্সে ফি প্রবর্তন করেছে। কোর্স বিশেষে টিউশন ফি ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি মাসে থাকা-খাওয়ার জন্য ৩৫০ থেকে ৩৭০ ইউরো খরচ পড়ে। তবে শেয়ারে থাকলে খরচ অনেক কম পড়বে।
আবাসিক ভাড়া : ২২০ থেকে ২৪০ ইউরো।
খাওয়া খরচ : ৮০ থেকে ৯০ ইউরো।
আনুষঙ্গিক খরচ : ২০ থেকে ৪০ ইউরোর মধ্যে রাখা যাবে। স্বাস্থ্যসেবার জন্য বাৎসরিক ২৫ থেকে ৭৫ ইউরো ব্যয় হতে পারে। এ খরচের হিসাবটা আনুমানিক একজনের একা থাকার ক্ষেত্রে বিবেচ্য। তাছাড়া শহর ভেদে এ খরচ কমবেশি হতে পারে। এদেশে শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য স্টুডেন্ট অ্যাপার্টমেন্ট আছে। সাধারণত শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই এ ধরনের আবাসনে বসবাস করে। আর স্টুডেন্ট অ্যাপার্টমেন্টগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে হওয়ায় যাতায়াত খরচ অনেকটা কমে যায়। তবে এদেশে দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক যাতায়াত কার্ডের ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো অনেকটাই সাশ্রয়ী ও সবধরনের যানবাহনের জন্য ব্যবহার করা যায়। খ-কালীন চাকরি ও আয়-রোজগারের সুযোগ-সুবিধা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে ফিনল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম একটা সবল দেশ। সম্প্রতি বিশ্ব মন্দাকবলিত হলেও ফিনল্যান্ডে সার্বিক দিক দিয়ে এর প্রভাব অতটা ভয়াবহ নয়। এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে কাজ করার প্রচুর সুযোগ, যা ইউরোপের যে কোনো দেশের তুলনায় নিঃসন্দেহে অনেক ভালো। এখন পর্যন্ত কাজ-কর্ম নিয়ে কেউ বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছে বলে শোনা যায়নি। সাধারণত সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজের আইনি বৈধতা রয়েছে। তবে চেনা পরিচিত লোকজন না থাকলে নতুন অবস্থায় এসে কাজ পেতে সমস্যা হয়। ন্যূনতম ৬ মাসের খরচের অর্থ সঙ্গে নিয়ে এলে অনিশ্চয়তা অনেকটা কেটে যায়। কারণ তত দিনে একটা কাজ জুটে যায়। ভিসা প্রক্রিয়া ও ব্যাংক ব্যালেন্স বাংলাদেশে ফিনল্যান্ডের কোনো দূতাবাস না থাকায় স্নাতক স্তরে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে অফার লেটার পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিস্থ ফিনিশ দূতাবাসে ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে হয়। ভিসা আবেদনপত্র এ ওয়েবসাইট http://www.migri.fi থেকে সংগ্রহ করা যাবে। স্টুডেন্ট ভিসার জন্য নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করে স্পষ্ট অক্ষরে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি পূরণ করে জমাদানের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও মার্কশিটগুলোর আসল কপি, বীমাপত্রের আসল কপি, জন্মনিবন্ধন সনদপত্র, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদপত্র (টোফেল অথবা আইইএলটিএসের স্কোর), ব্যাংক সার্টিফিকেট ও তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের মূলকপি দেখাতে হবে। আবেদনপত্র এবং অন্যান্য কাগজপত্রের দুই সেট ফটোকপি ভিসার জন্য নির্ধারিত সাইজের ৪ কপি ছবিসহ জমা দিতে হবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নিজ নামে খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬ হাজার ইউরো সমমান টাকা এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত জমা রাখার প্রয়োজন হতে পারে। সব রকমের শিক্ষার্থীর জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া একই ধরনের।
দ্রষ্টব্য এটি শুধুমাত্র প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য যারা সত্যিই বিদেশ থেকে বিদেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী। আবেদনকারীরা দৃঢ়ভাবে আমাদের অফিসে :
 সরাসরি যোগাযোগ বা মৌলিক তথ্যের জন্য ফোন 01911878274 এ সরাসরি যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়। যদি আপনি আরও যেতে চান তবে পাসপোর্ট সহ আপনার সমস্ত অ্যাকাডেমিক নথির সাথে আমাদের অফিসে যান।

সানরাইজ এডুকেশন কন্সালটেন্টস
ফোন: 01911878২74; 01707272625
ইমেইল: info@sunrise-bd.net
ওয়েবসাইট: www.sunrise-bd.net

No comments:

Post a Comment